শেষ বিকেলের চা
দোকানটা বন্ধ হওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তে একজন বৃদ্ধ এসে বসলেন। কাউকে কিছু বললেন না, শুধু কোণের বেঞ্চিটায় গিয়ে জানালার দিকে তাকিয়ে রইলেন। চা-ওয়ালা রহিম ভাই কেটলিটা আবার চুলায় বসালেন। এই সময়টায় সাধা
নদীর ওপারে
ওপারে আলো জ্বলে, এপারে শুধু অপেক্ষা। মাঝখানে জল কথা বলে, ভাষাহীন, ধীর, অনন্ত। খেয়া আসে না আজ, মাঝি বুঝি ঘুমিয়ে গেছে। আমি তবু দাঁড়িয়ে থাকি, আলোর দিকে চোখ রেখে। কোনোদিন হয়তো পার হব, কোনোদিন হয়তো ন
সিলেটের পথে, বৃষ্টির ভেতর দিয়ে
ভোরের বাসে উঠেছিলাম। জানালার পাশের সিট পেয়েছিলাম বলে সারা পথ বাইরের দিকেই তাকিয়ে ছিলাম। শহর পেরোতেই বৃষ্টি নামল। কাচে জমা জলের ফোঁটায় দূরের পাহাড়গুলো ঝাপসা হয়ে গেল, যেন কেউ জলরঙে এঁকে রেখেছে আর ভ
ভিড়ের ভেতর একা হওয়ার কৌশল
বাজারের মোড়ে দাঁড়িয়ে মানুষ দেখা আমার পুরোনো অভ্যাস। এতে কারও সঙ্গে কথা বলতে হয় না, অথচ অনেক কিছু জানা হয়ে যায়। যেমন, যারা খুব তাড়ার মধ্যে থাকে তারা আসলে প্রায়ই জানে না কোথায় যাচ্ছে। আর যারা ধ
যেদিন বিদ্যুৎ চলে গেল
সন্ধ্যা সাতটার দিকে হঠাৎ সব অন্ধকার। প্রথমে বিরক্ত হয়েছিলাম, তারপর মোবাইলের চার্জের হিসাব কষতে বসলাম। মিনিট দশেক পর ছাদে উঠে দেখি পুরো পাড়া সেখানে। কেউ মাদুর এনেছে, কেউ ফ্লাস্কে চা। যাঁদের সঙ্গে সিঁ
ছাদের ওপর একটা ভাঙা ঘুড়ি
আজ কার্নিশের কোণে একটা ছেঁড়া ঘুড়ি পড়ে থাকতে দেখলাম। সুতোটা তখনও গোটানো। কেউ হয়তো ঘুড়িটা আকাশে তুলেছিল, কেউ হয়তো হারিয়েছে। আমি কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকলাম, তারপর ওটা যেমন ছিল তেমনই রেখে নেমে এলাম। ক